শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল :পর্ব -২

কম্পিউটার নেটওয়ার্কের উপাদানসমূহ

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে কম্পিউটারের বাইরে আরো কিছু অত্যাবশ্যকীয় উপাদানের প্রয়োজন হয় । কোন নেটওয়ার্কে কি কি উপাদান প্রয়োজন হবে তা নির্ভর করে ঐ নেটওয়ার্কের ধরন এবং বিস্ত্রৃতির উপর ।
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বা নিক
এটিকে নিক বাদেও আরো অনেক নামে ডাকা হয় সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নেটওয়ার্ক কার্ড ও নেটওয়ার্ক এডাপ্টার । এটি এমন একটি  হার্ড ওয়্যার যা প্রতিটি কম্পিউটারে ইন্সটল থাকতে হবে। এটি একটি কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটারের ফিজিক্যালি সংযোগ স্থাপন করে ।এটি ডিজিটাল আকারে ডেটা একটি লেন্দেন করে থাকে । নেটওয়ার্ক কার্ডের একটি পোর্ট নেটওয়ার্ক ক্যাবলের সাথে যুক্ত থাকে । এটিকে সক্রিয় করার জন্য একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয় সেটিকে বলা হয় নিক ড্রাইভার । নিক যথাযথ ভাবে স্লটে স্থাপন করার পর পরেই নিক ড্রাইভার ইন্সটল দিতে হয় । অবশ্যই বর্তমানে সকল অপারেটিং সিস্টেম নিজ থেকে নিক কে চিনে নেয় ।এজন্য আলাদা করে সফটওয়্যার ইন্সটল দিতে হয় না
রিপিটার(REPEATER)
নেটওয়ার্ক ট্রান্সমিশন মিডিয়ার মধ্যে দিয়ে যখন ইলেকট্রনিকম্যাগনেটিক ওয়েব চলতে থাকে তখন মিডিয়া সিগন্যালকে দুর্বল করে ফেলে । দুর্বল করার এই সিস্টেমকে বলা হয় এটিনিউয়েশন । এটিনিউয়েশন মিডিয়ার মধ্যে চলাচল কারী সিগন্যালের অতিক্রম যোগ্য সীমানরইপরিমান ঠিক করে দেয় । এটিনিউয়েশন সংক্রান্ত বাধা দূর করার জন্য রিপিয়ার ব্যবহার করা হয়
ব্রিজ(BRIGE)
নন- রাউট্যাবল প্রোটোকলের ক্ষেত্রে সিগন্যালকে এক সেগমেন্ট থেকে অন্য সেগমেন্ট পাঠাতে ব্রিজ ব্যবহার হয় । ব্রিজ ছোট খাটো নেটওয়ার্কের জন্য অনেক কার্যকারী কানেকটিভিটি ডিভাইস ।
রাউটার (ROUTER)
আপনার সবাই কম বেশি রাউটারের নাম শুনেছেন । লজিক্যালি পৃথক এমন কিছু নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার হয়ে থাকে । রাউটার সংযোগ প্রদানের কাজতি সম্পন্ন করে থাকে বড় বড় নেটওয়ার্ককে ছোট ছোট লজিক্যাল নেটওয়ার্ক সেগমেন্ট থেকে অন্য সেগমেন্টকে বিভক্ত করার মাধ্যম । এ জাতিয় ছোট ছোট সেগমেন্ট কে বলা হয় সাব নেটওয়ার্ক । রাউটার এ জাতীয় সাব নেটওয়ার্কের বিপরীতে একটি করে এড্রেস বরাদ্ধ থাকে ।
ব্রাউটার(BROUTER)
ব্রাউতার হচ্ছে রাউটার এবং ব্রিজের সমষ্টি । এটি ব্যবহারের প্রধান সুবিধা হচ্ছে এটি দ্বারা যেকোন প্রোটোকল রাউটিং করা যায় ।রাউটিং হচ্ছে ডেটা প্যাকেট এক সেগম্যান্ট থেকে অন্য সেগম্যান্টে প্রেরন পদ্ধতি । ব্রাউটার মুলত একটি সফটওয়্যার যা কিনা রাউটারের উপর কাজ করে । 
গেটওয়ে (GATEWAY)
রাউটার শুধু মাত্র ঐ সকল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করতে পারে যে সকল নেটওয়ার্কের প্রোটোকল সমূহ একই পদ্ধতিতে কাজ করে । আর একই পদ্ধতিতে কাজ না করে তাহলে রাউটারের থেকে অধিক শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান ডিভাইসের প্রয়োজন হয় আর সেই ডিভাইসটির নাম হচ্ছে গেটওয়ে
হাব (HUB)
হাবের অন্য নাম হচ্ছে সুইচ । হাব নেটওয়ার্কের একটি অতন্ত্য গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা স্টার টপোলজিতে  একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে । বর্তমানে হাবের পরিবর্তে সুইচ ব্যবহার হচ্ছে । সুইচের সাথে হাবের পার্থক্য হচ্ছে সুইচ তার টার্গেট পোর্টে সরাসরি আঘাত করে কিন্তু হাব তার টার্গেট পোর্ট ছাড়াও অন্যান্য পোর্টেও আঘাত করে । এক্ষেত্রে টার্গেট পোর্ট সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং অন্যান্য পোর্ট গুলো তা অগ্রাহ্য করে ।
ট্রান্সমিশন মাধ্যম (TRANSMISSION MEDYA)
যার মাধ্যমে একটি একটি নেটওয়ার্কের কম্পিউটার অন্য নেটওয়ার্ক কম্পিউটারের গুলোর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে তাকে ট্রান্সমিশন মাধ্যম বলে ।যেমনঃ ক্যাবল, রেডিও ওয়েব , মাইক্রো ওয়েব ইত্যাদি ।
ক্যাবল কানেক্টর (CABLE CONNECTER)
কানেক্টর অবস্থান করছে ক্যাবল এবং ইন্টারফেস কার্ডের মধ্যে । অর্থাৎ এটি ক্যাবল এবং নিক(NIC) এর মাঝে সংযোগ স্থাপন করেছে ।
প্রোটোকল ড্রাইভার ( PROTOCOL DRIVER)
 
Protocol driver with data source as “SQLServer_destination”
প্রোটোকল একটি অন্য একটি নাম হচ্ছে নেটওয়ার্কের ভাষা ।এটি নিশ্চয় আপনাদের বুঝিয়ে ব্লতে হবে না নেটওয়ার্কের ভাষা নেটওয়ার্কের জন্য কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ ।প্রোটোকলের দ্বারা নেটওয়ার্কের ডেটা একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পাঠানো হয় । এটি সেটআপের আগে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনার প্রতিটি ক্লায়েন্ট এবং সার্ভার কম্পিউটার অভিন্ন প্রোটোকল ড্রাইভার ব্যবহার করে । বর্তমানে বহুল ব্যবহার হয় এ সকল প্রোটোকল হচ্ছে নেতবই, আইপিএক্স এবং আইপি ।
ডেটা প্যাকেট (DATE PACKET)
আপনার সকলেই ডেটা কি সে সম্পর্কে অবগত আছেন । ডেটা নেটওয়ার্কে প্যাকেট আকারে চলাচল করে।ডেটা প্যাকেটে থাকে বাইনারি বা ডিজিটাল আকারে অর্থাৎ ১ এবং ০ হিসেবে। নেটওয়ার্কিং এর সকল কাজই সম্পূর্ণ হয় ডেটাকে ঘিরে । নেটওয়ার্কিং এর জন্য যেমন ডেটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ডেটা প্যাকেট ।ডেটা প্যাকেট হচ্ছে হচ্ছে অনেকটা চিঠি এর অন্য রুপ মানে চিঠির যেমন একটি সাইজ থাকে তেমনি ডেটা প্যাকেটের একটি নির্দিষ্ট সাইজ বিদ্যমান থাকে । একটি ছোট আকৃতির ডেটা প্যাকেটের সাইজ হচ্ছে মোটামুটি ২০০ বাইট এবং একটি বড় সাইজের ডেটা প্যাকেটের সাইজ হচ্ছে ২০ মেগাবাইট ।চিঠির যেমন একটি গন্তব্য নির্দিষ্ট করে দিতে হয় তেমনি ডেটা প্যাকেটেরও একটি নির্দিষ্ট গন্তব্য ঠিক করে দিতে হয় । প্রকৃত পক্ষে প্রত্যেকটি ডেটা প্যাকেটের প্রেরক এবং প্রাপক উভয়ই এড্রেস ই সংযুক্ত থাকে । যদি ডেটা প্যাকেটে কোন রুপ সমস্যা দেখা দেয়  তাহলে ডেটা প্যাকেট পুনরায় প্রেরনের জন্য প্রাপক ডিভাইস প্রেরন ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে
প্রতিটি ডেটা প্যাকেটে একটি প্রোটকল আইডি থাকে । এই আইডির সাহায্যে নেটওয়ার্ক ডিভাইস গুলো জানতে পারে কি ভাবে ডেটা প্যাকেটকে ডিকোড করার মাধ্যমে বিষয় বস্তু উদ্ধার করা যাবে । এছাড়া ডেটা প্যাকেট এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে যাবার সময় বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে । এ সকল সমস্যা দ্বারা আক্রান্ত ত্রুটি পূর্ণ ডেটা প্যাকেট চিন্হিত করার জন্য ডেটা প্যাকেটে একটি সাইক্লিক রিডানডেন্সি
(CRC)চেক ফিল্ড সংযোজন করা হয় । প্রেরক ডিভাইস প্যাকেটের ডেটা ব্যবহার করেই সি আর সি ফিল্ডের মান নির্ধারণ করা হয় ।
(নেটওয়ার্ক সিগনাল)NETOYARK SIGNAL
ট্রান্সমিশনের জন্য কম্পিউটার সিগন্যাল তৈরি করে অন্য কম্পিউটারে ক্যাবলে প্রেরন করে থাকে । কপার ক্যাবল ডেটাকে চিহ্নিত করে ইলেক্ট্রনিক সিগন্যাল ফাইবার অপটিক্যাবল ডেটাকে লাইট পালস হিসেবে চিনিয়ে থাকে । প্রাপক কম্পিউটার তার সিগন্যালকে সফটওয়্যারের সাহায্যে তার বোধগম্য করে পরিবর্তন করে নেয় এবং প্রয়োজনে প্রসেস করে থাকে
নেটওয়ার্ক প্রোটোকল (NETWORK PROTOCOL)
ট্রান্সমিশনের জন্য কম্পিউটার ডিজিটাল সিগন্যাল তৈরি করে তা অপর কোন কম্পিউটারে প্রেরনের জন্য অন্য কম্পিউটারে ছেড়ে দেয় । কপার ক্যাবল ডেটাকে চিহ্নিত করে ইলেক্ট্রনিক সিগন্যাল আর ফাইবার অপটিক্যাল ফাইবার ডেটাকে লাইট পালস হিসেবে চিনে রাখে । প্রাপক কম্পিউটার এই সিগন্যাল সফটওয়্যারের সাহায্যে তার বোধগম্য উপযোগী বাইনারি বা ডিজিটাল সিগন্যাল পুনরায় পরিবর্তন করে নেয় এবং প্রয়োজনে প্রসেস করে থাকে 

নেটওয়ার্ক লেয়ারের মধ্য দিয়ে ডেটা প্যাকেট চলাচলের পদ্ধতি colorful butterflycolorful butterflycolorful butterfly

নেটওয়ার্ক ডেটা বিনিময়ের জন্য প্রতিটি ডিভাইস বা কম্পিউটারের একটি স্বতন্ত্র নেটওয়ার্ক এড্রেস থাকতে হয় । এর ফলে নেটওয়ার্ক ট্যাগকৃত প্রাপক কম্পিউটারে ডেটা পৌছে দিতে সক্ষম হয় । এপ্লিকেশন সমূহে আলাদা আলাদা এড্রেস থাকার জন্যই আইএসও মডেলের ট্রান্সপোর্ট লেয়ার একই সময়ে একাধিক এপ্লিকেশন সাপোর্ট করতে সক্ষম হয় ।
নেটওয়ার্কের বিভিন্ন লেয়ারের মধ্য দিয়ে ডেটা বিনিময়ের বিষয়টি সহজে বুঝার জন্য আইএসও বা ওআইএস মডেলকে তিন ভাগে ভাগ করা হয় ।যথাঃ
       ╬╬  এপ্লিকেশন লেয়ার 
   ╬╬ ট্রান্সপোর্ট লেয়ার
                 ╬╬নেটওয়ার্ক একসেস লেয়ার  
আসুন তাহলে একটি উদাহরণ দিয়ে শিখা যাকঃ
X কম্পিউটারের কোন এপ্লিকেশন Y কম্পিউটারে কিছু ডেটা পাঠাতে  চায় । এক্ষেত্রে X কম্পিউটার ডেটা প্যাকেটটি ট্রান্সপোর্ট লেয়ারে পাঠাবে । X কম্পিউটার স্থে সাথে একটি নির্দেশ  দিয়ে দিবে যেন ডেটা প্যাকেটটি Y কম্পিউটারের সংশ্লিষ্ট এপ্লিকেশনে জমা দেয়া হয় । ট্রান্সপোর্ট লেয়ার ডেটা প্যাকেটটিকে নির্দেশনা সহ নেটওয়ার্ক একসেস লেয়ারের নিকট হস্তান্তর করে । নেটওয়ার্ক একসেস লেয়ার ঐ ডেটা প্যাকেটের সাথে আরো একটি নির্দেশনা যোগ করে এই মর্মে যেন কমিনেকেসন নেটওয়ার্ক  ডেটা প্যাকেটটি  Y কম্পিউটারের নিকট পৌছে দেয় । নেটওয়ার্ক প্যাকেট ঠিকমতো প্রাপক কম্পিউটারের নিকট পৌছানোর জন্য  নেটওয়ার্ক শুধু প্রাপক কম্পিউটারের এড্রেস জানলেই হবে । আর কোন বিস্তারিতর প্রয়োজন হয় না । 
এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা প্রেরনের ক্ষেত্রে প্যাকেটের সাথে কন্ট্রোল সিগন্যাল ও পাঠাতে হয় । আসুন দেখা যাক কি ভাবে পাঠাতে হয় ।
X কম্পিউটারের কোন এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম একটি ডেটা প্যাকেট Y কম্পিউটারে পাঠানোর জন্য উৎপন্ন করে ট্রান্সপোর্ট লেয়ারে আগ্রায়ন করেছে ।   কম্পিউটার ট্রান্সপোর্ট লেয়ার ডেটা প্যাকেটটিকে আরো সুস্থ ব্যবস্থাপনার জন্য একে কয়েকটি খণ্ডে বিভক্ত করবে ।ডেটা প্যাকেটের প্রতিটি খণ্ডে ট্রান্সপোর্ট লেয়ার ট্রান্সপোর্ট হেডার যোগ করবে ।ট্রান্সপোর্ট হেডারের মধ্যে প্রটোকল সম্পর্কিত তথ্য থাকবে ।   ডেটা প্যাকেট যখন ট্রান্সপোর্ট লেয়ার থাকে নেটওয়ার্ক একসেস লেয়ারে পৌছাবে তখন নেটওয়ার্ক একসেস লেয়ার ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের মত ঠিক একই ভাবে নেটওয়ার্ক হেডার যোগ করবে । নেটওয়ার্ক লেয়ার ডেটা প্যাকেটটি নেটওয়ার্ক  একসেস পিডিইউ নামে পরিচিত । ডেটা প্যাকেটটি যখন Y কম্পিউটারের  নেটওয়ার্ক একসেস লেয়ার থেকে  ট্রান্সপোর্ট লেয়ারে যাবে তখন ট্রান্সপোর্ট লেয়ার হেডারটি বর্জন করবে ।আবার যখন Y কম্পিউটারের  নেটওয়ার্ক ট্রান্সপোর্ট লেয়ার থেকেএপ্লিকেশন লেয়ারে যাবে তখন এপ্লিকেশন  লেয়ার হেডারটি বর্জন করবে । এ প্রক্রিয়ায় X কম্পিউটারের কোন এপ্লিকেশন থেকে Y কম্পিউটারের টার্গেট এপ্লিকেশনে ডেটা প্যাকেটটি পৌছে  যাবে । 

         
ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স বা ডড মডেলValentine's Day and mailValentine's Day and mailValentine's Day and mailValentine's Day and mail

এর আগে আমরা দেখেছি ওআইএস মডেলের নেটওয়ার্ক  স্তর  মোট সাতটি । কিন্তু ডড মডেলে স্তর আছে চারটি । ওআইএস মডেলের সাতটি স্তরকে পুনর্গঠন করেই ডড মডেলের চারটি স্তর তৈরি করা হয়েছে । দুটি মডেলকে তুলনা করলে এদের পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে যাবে। 
ডড  মডেলের নেটওয়ার্ক একসেস স্তর ওআইএস  মডেলের নেটওয়ার্ক একসেস স্তর  ওআইএস মডেলের ফিজিক্যাল ও ডেটালিংক স্তর দুটি প্রতিস্থাপন করেছে ।নেটওয়ার্ক একসেস স্তরের প্রধান কাজ হচ্ছে ডেটা ম্যাধমকে চিহ্নিত করা , ডেটা ফার্মিং এবং নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপন করা । ওআইএস মডেলের নেটওয়ার্ক স্তরটি ডড মডেলে অনুপস্থিত । ডড মডেলে ইন্টারনেট রাউটিং  এর কাজ সম্পন্ন হয় ।
হোস্ট টু হোস্ট   স্তরটি নেটওয়ার্কের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ডেটা ফ্লো  নিয়ন্ত্রন করে । এ স্তরটি ডিভাইস সমূহ খুজে বের থাকে ।এছাড়া লেয়ারে উচ্চ পর্যায়ের সংযোগ প্রদান করে থাকে । হোস্ট টু হোস্ট ডেটা প্যাকেট সেগমেন্ট উন্নয়নের কাজটিও এখানে সম্পন্ন হয় । 
ডড মডেলের সর্ব শেষ স্তর হচ্ছে প্রসেস স্তর । প্রসেস স্তরটি ওএসআই মডেলের সেশন , প্রেজেন্টেশন এবং এপ্লিকেশন এ সবগুলো স্তরে কাজ করে । এখানে উল্লেখ্য  করা প্রয়োজন যে টিসিপি/ আই পি প্রোটোকল সাধারণত ডড মডেল অনুযায়ী কাজ করে । 

 এনডিআইএস এবং ওডিআই স্ট্যান্ডার্ড Stickman and billStickman and billStickman and billStickman and bill

নেটওয়ার্কভুক্ত পিসি ব্যবহারকারীরা যা আশা করেন তাহলো তাদের পিসিতেঁ  যেন একাধিক প্রোটোকল লোড করা থাকে যদিও  কোন কোন ক্ষেত্রে ঐ পিসিতে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বা নিক মাত্র একটি থাকে । একাধিক প্রোটোকল ইন্সটল থাকলে ইউজাররা  নেটওয়ার্কে বিভিন্ন প্রকারের নেটওয়ার্ক কার্ড ব্যবহার করতে সক্ষম হয় । এই সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যবহার করতে হয় ড্রাইভার ইন্টারফেস । যেমনঃ NDIS ( NETWORK DRIVER INTERFACE STANDARD) এবং ODI ( OPEN DATE LINK INTERFACE)

নেটওয়ার্ক লেয়ারের মাঝে দিয়ে ডেটা প্যাকেট চলাচল পদ্ধতি


নেটওয়ার্ক ডেটা বিনিময়ের জন্য প্রতিটি কম্পিউটারে একটি নেটওয়ার্ক এড্রেস থাকতে হয় এটি কি আবার নতুন করে জানাতে হবে।তাহলে এখন আর আইপি এড্রেস বা নেটওয়ার্ক এড্রেস নিয়ে আলোচনা না করলেও হয় । নেটওয়ার্কের বিভিন্ন লেয়ারের মধ্য দিয়ে ডেটা আদান প্রদানের সুবিধার জন্য OSI মডেলকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে । ভাগ গুলো হচ্ছেঃ
1.Application Layer
2.Transport Layer
3.Physical and Network Access Layer
আসুন এখন দেখা যাক এরা কি করে কাজ করে ধরুন আমরা X কম্পিউটার থেকে Y কম্পিউটারে ডেটা পাঠাব । এক্ষেত্রে X কম্পিউটার ডেটা প্যাকেটটি ট্রান্সপোর্ট লেয়ারে পাঠাবে এবং  তখন  X এটিও বলে দিবে যে ডেটা প্যাকেটটি Y কম্পিউটারের সংশ্লিষ্ট এপ্লিকেশনের নিকট পাঠিয়ে দেয় । ট্রান্সপোর্ট লেয়ার আরও একটি নির্দেশ দিয়ে ডেটা প্যাকেটটি নেটওয়ার্ক   একসেস লেয়ার পাঠিয়ে দিবে । তখন একসেস লেয়ার ডেটাটিকে আরেকটি নির্দেশ দিয়ে পাঠিয়ে দিবে কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের নিকট তখন কমিউনিকেশন  ডেটা প্যাকেটটি Y কম্পিউটারের নিকট  পৌছে দেয়  । আশা করি নিচের চিত্র দেখলে সম্পূর্ণ ক্লিয়ার হয়ে যাবেন
একটি কম্পিউটার থেকে অন্য একটি কম্পিউটারে ডেটা ট্রান্সফার হচ্ছে
 
ডেটা লেয়ারের সাথে কন্ট্রোল ইনফরমেশন যোগ হচ্ছে প্রতিটি লেয়ারে

 

Irish dancing elfডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স বা ডড মডেল (DOD MODEL)Irish dancing elf


ডড মডেলের স্তর হচ্ছে চারটি
 ওএসএই মডেলের সাতটি স্তরকে পুনর্গঠন করেই ডড মডেল তৈরি করা হয় । এই দুটি মডেলকে যদি এক করে তুলনা করা হয় তবেই এদের পার্থক্য গুলো স্পষ্ট হয়ে যাবে ।
১… নেটওয়ার্ক একসেস 
ডড মডেলের নেটওয়ার্ক একসেস ওএসআই মডেলের ফিজিক্যাল ও ডেটা লিংক এ দুটি স্তরের সমমানের । নেটওয়ার্ক একসেসের প্রধান কাজ হচ্ছে ডেটা মাধ্যমকে চিহ্নিত করা , ডেটা ফ্রেমিং এবং নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপন করা ।
২…ইন্টারনেট 
ওএসআই মডেলের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্তর নেটওয়ার্ক স্তরটি ডড মডেলে নেই  । এখানে ইন্টারনেট স্তরে রাউটার তার কাজ সম্পূর্ণ করে ।
৩ …হোষ্ট টু হোষ্ট
হোষ্ট টু হোষ্ট স্তরটি নেটওয়ার্কের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে  ডেটা ফ্লো নিয়ন্ত্রন করে । এখানে ডিভাইস সমূহ খুঁজে বের করা হয় । এছাড়া এখানে উচ্চ পর্যায়ের লিংক আপ করা হয় । তাছারাও এই লিংকে ডেটা প্যাকেট সেগমেন্টের কাজ ও করা হয় ।
৪…প্রসেস 
ডড মডেলের সর্ব শেষ স্তরটি হচ্ছে প্রসেস । এই স্তরটি ওএসআই মডেলের সেশন , প্রেজেন্টেশন এবং এপ্লিকেশন এই সকল স্তরের কাজ সম্পন্ন  করে ।
এখানে বিশেষ ভাবে জানানো দরকার যে টিসিপি /আইপি প্রোটোকল  সাধারণত ডড মডেলের  অনুযায়ী হয় ।
Networking-for-latino-mbas-LAM-Social-Clubj
Random image: Atoms with three electronsএনডিআইএস এবং ওডিআই স্ট্যান্ডার্ড (NDIS and ODI Standard)Random image: Atoms with three electrons

নেটওয়ার্ক ভুক্ত পিসি ইউজারদের একই সাধারন আশা থাকে সেটি হচ্ছে  যেন তাদের পিসিতে একাধিক প্রটোকল লোড করা থাকে । যদি অধিকাংশ  ইন্টারফেস কার্ড বা নিক থাকে মাত্র একটি । এই অধিকাংশ প্রোটোকলের সমস্যা সমাধানের জন্য যে সিস্টেম  ব্যবহার করা  তাকে বলা হয় ড্রাইভার ইন্টারফেস

একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে তথ্য বিনিময় ও ইন্টারনেট ব্যবহারের কনফিগারেশন সেটআপ


লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের (ল্যান) মাধ্যমে বাড়ি অথবা অফিসের একাধিক কম্পিউটারকে একই নেটওয়ার্কের আওতায় আনা সম্ভব। মূলত কেব্লের মাধ্যমে তথ্য বিনিময় করে এই নেটওয়ার্ক। ফলে নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা কম্পিউটার থেকে ফাইল বিনিময় ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যায়। নেটওয়ার্কের সঙ্গে একটিমাত্র ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ দিয়েই একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা সম্ভব।

ল্যান স্থাপন পদ্ধতি

কম্পিউটারের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে কী পরিমাণ যন্ত্রপাতি লাগবে। দুটি কম্পিউটারের মধ্যে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য হাব বা সুইচের প্রয়োজন নেই; শুধু একটি কেব্লের দুই প্রান্তে কানেক্টর বসিয়ে দুই কম্পিউটারের ল্যান কার্ডের সঙ্গে যুক্ত করে দিলেই হবে। তবে দুইয়ের বেশি কম্পিউটার যুক্ত করতে অবশ্যই হাব বা সুইচ ব্যবহার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে একাধিক ল্যান কার্ড যুক্ত করতে হবে।
হয়ে যান নেটওয়ার্ক মাস্টারছবি ১
ইথারনেট কেব্লের মাধ্যমে হাব বা সুইচ যুক্ত করতে হবে। বাজারে নানা ধরনের হাব বা সুইচ পাওয়া যায়। কম্পিউটারের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে ৪, ৮, ১৬, ২৪ বা নির্দিষ্টসংখ্যক পোর্টের হাব বা সুইচ কিনতে হবে। মনে রাখবেন, একটি পোর্টে শুধু একটি কম্পিউটারই যুক্ত করা যাবে। (ছবি ১)
এবার হাব বা সুইচটি রাখার জন্য জায়গা নির্দিষ্ট করতে হবে। এমন জায়গা নির্বাচন করতে হবে, যেখানে রাখলে এর নিরাপত্তায় ঘাটতি হবে না। তবে খেয়াল রাখতে হবে, কোনো কম্পিউটার থেকে হাব বা সুইচের দূরত্ব যেন ১০০ মিটারের বেশি না হয়। কারণ সংযোগের জন্য ব্যবহৃত ইথারনেট কেব্ল্ সর্বোচ্চ ১০০ মিটার পর্যন্ত দূরত্বে সঠিকভাবে তথ্য (ডাটা) পাঠাতে পারে।
জায়গা নির্বাচনের পর এবার কম্পিউটারের সঙ্গে হাবের সংযোগ দিতে হবে। এই সংযোগ করার জন্য দরকার হবে ইথারনেট কেব্ল্। এগুলো বাজারে 'ক্যাট-৫' ও 'ক্যাট-৬' নামে পরিচিত। হাব থেকে প্রতিটি কম্পিউটারের দূরত্ব হিসাব করে পরিমাণমতো 'ক্যাট-৬' কেব্ল্ কিনে নিন। ঝামেলা এড়াতে কেনার সময়ই হাব থেকে প্রতিটি কম্পিউটারের দূরত্ব অনুযায়ী কেব্ল্ কেটে এর দুই মাথায়ই আরজে-৪৫ (RJ-45) কানেক্টর লাগিয়ে নিতে পারেন। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে দরকার হবে ইথারনেট পাঞ্চার। ছবির মতো করে তার ও কানেক্টর সংযোগ করে নিতে হবে।
(ছবি ২) ও (ছবি ৩)।
হয়ে যান নেটওয়ার্ক মাস্টারছবি ২ হয়ে যান নেটওয়ার্ক মাস্টারছবি ৩
ক্রস ওভার কেব্ল্ ক্রসের ক্ষেত্রে কেব্লের এক প্রান্তে থাকা ১ নম্বর সরু তারটি অন্য প্রান্তের ৪ নম্বর তার হয়ে গেছে। একইভাবে ২ ও ৬ নম্বর সরু তার যথাক্রমে ৬ ও ২ নম্বর হয়ে গেছে। বাকি সরু তারগুলো সব একই নম্বরে আছে।
স্ট্রেইট থ্রু এ ক্ষেত্রে এক প্রান্তে থাকা সরু তার যে নম্বরে আছে, অন্য প্রান্তেও সেই একই নম্বরে থাকবে।
এবার কেব্লের এক প্রান্ত হাব বা সুইচের পোর্টে এবং অন্য প্রান্ত কম্পিউটারের ল্যান কার্ডের ইথারনেট পোর্টে যুক্ত করলেই ল্যান তৈরির প্রথম ধাপ শেষ হবে।
দ্বিতীয় ধাপে নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা সব কয়টি কম্পিউটারের পরিচয় বা আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) নির্ধারণ করতে হবে। প্রতিটি ডিভাইসের জন্য আলাদা আইপি নম্বর দিতে হবে। একই নেটওয়ার্কে একাধিক কম্পিউটারে একই আইপি দিলে কাজ হবে না। তাই প্রতিটি কম্পিউটারের জন্য আলাদা আইপি নির্ধারণ করে দিতে হবে।
এবার কম্পিউটারের Local Area Connection অপশনে প্রবেশ করে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties নির্বাচন করতে হবে। প্রদর্শিত general ট্যাবের উইন্ডোর নিচের দিকে থাকা Show icon (Task bar-এ কানেকশন আইকন প্রদর্শনের জন্য) এবং Notify me-তে টিক চিহ্ন দিতে হবে।
এবার উইন্ডোর মাঝামাঝি Internet protocol (TCP/IP) অপশন নির্বাচন করতে হবে এবং তার নিচে প্রপার্টিজে ক্লিক করলেই নতুন আরো একটি উইন্ডো আসবে। এতে ডিফল্ট হিসেবে Obtain ip automatically অপশন নির্দিষ্ট করা থাকে। তবে ইচ্ছামতো আইপি ঠিকানা বসাতে পরের অপশনে অর্থাৎ Use the following address অপশন নির্বাচন করতে হবে। এখানে আইপিসহ সাবনেট মাস্ক ও গেটওয়ে লেখার জায়গা পাওয়া যাবে। এবার গেটওয়ের জায়গা ফাঁকা রেখে নিচের মতো করে পূরণ করতে হবে-
IP address : 192.168.100.1Subnet mask : 255.255.255.0
এভাবে দ্বিতীয় কম্পিউটারে IP address : 192.168.100.2 ও Subnet mask : 255.255.255.0 বসাতে হবে। এভাবে প্রতিটি কম্পিউটারেই আইপি বসাতে হবে। মনে রাখবেন, আইপি শুধু ১৯২.১৬৮.১০০.১ থেকে ১৯২.১৬৮.১০০.২৫৪ পর্যন্ত বসাতে পারবেন। অর্থাৎ মোট ২৫৪টি কম্পিউটার সংযোগ করা যাবে এ পদ্ধতিতে।
আমাদের ব্যবহার করা আইপিটি 'সি' ক্লাসের আইপি। 'এ', 'বি', 'ডি' ও 'ই' ক্লাসেরও আইপি হতে পারে।
নেটওয়ার্ক সেটআপ করার পর তা ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ দুটি কম্পিউটারের মধ্যে ডাটা বা ফাইল বিনিময় করার বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে।
হয়ে যান নেটওয়ার্ক মাস্টারছবি ৪
উদাহরণস্বরূপ দুটি কম্পিউটারের আইপি যথাক্রমে ১৯২.১৬৮.১০০.২০ ও ১৯২.১৬৮.১০০.৮৫।
এবার প্রথম কম্পিউটারে Start-> run টাইপ করুন ping ১৯২.১৬৮.১০০.৮৫-t
এবার দেখুন কমান্ড প্রম্পটে কিছু লেখা আসছে। যদি লেখাগুলো ছবির মতো হয়, তাহলে নেটওয়ার্কের সংযোগ ঠিক আছে (ছবি ৪)। এবার ctrl + c চাপলে কমান্ডটির কাজ শেষ হবে।
ইন্টারনেট সংযোগ
একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের জন্য নেটওয়ার্ক করার পর চাইলে একই সংযোগ ব্যবহার করে কম্পিউটারগুলোতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে। এ জন্য প্রয়োজন হবে একটি রাউটার এবং যেকোনো ইন্টারনেট সেবা প্রতিষ্ঠানের (আইএসপি) সংযোগ।
নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দিতে প্রথমে রাউটারকে সুইচ বা হাবের কাছাকাছি (১০০ মিটারের মধ্যে) স্থাপন করতে হবে। এবার রাউটারটি চালু করে ইন্টারনেট সংযোগ দিতে হবে। আইএসপি আপনাকে একটি আইপি, সাবনেট মাস্ক ও গেটওয়ে দেবে। বাজারে বিভিন্ন মডেলের রাউটার পাওয়া যায়। তাই রাউটারের ম্যানুয়াল অনুযায়ী আইপি নির্দিষ্ট করতে হবে।
এবার একটি কেব্ল্ নিয়ে তার এক প্রান্ত রাউটারে ও অন্য প্রান্ত নির্দিষ্ট ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যানুয়ালে থাকা আইপির শেষ নম্বরটি পরিবর্তন করে ১ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে যেকোনো একটি সংখ্যা বসাতে হবে। যেমন- ম্যানুয়ালে যদি রাউটারের ডিফল্ট আইপি বলা হয় ১৯২.১৬৮.১০০.১ তাহলে আপনি বসাবেন ১৯২.১৬৮.১০০.২।
এবার ইন্টারনেট ব্রাউজার খুলে অ্যাড্রেস বারে রাউটারের আইপি লিখে এন্টার চাপলেই রাউটার কনফিগারেশন প্রম্পট আসবে। রাউটারের যে পোর্টে আইএসপির সংযোগ দেওয়া হয়েছে, সেই পোর্টে আইএসপি থেকে দেওয়া আইপি, সাবনেট মাস্ক ও গেটওয়ে বসিয়ে সেভ করতে হবে। এবার যে পোর্টে কম্পিউটারের সংযোগ রয়েছে সেই পোর্টে আইপি ১৯২.১৬৮.১০০.২৫৪, সাবনেট মাস্ক ২৫৫.২৫৫.২৫৫.০ লিখে সেভ করতে হবে।
সেভ করার পরপরই দেখা যাবে রাউটারের ঠিকানা পরিবর্তন হয়ে গেছে। এটা খুবই স্বাভাবিক। এবার আপনার কম্পিউটারের আইপি ঠিকানা আবার পরিবর্তন করে ১৯২.১৬৮.১০০.* (* এর পরিবর্তে যেকোনো সংখ্যা) সিরিজের একটা আইপি লিখে ব্রাউজারে গিয়ে ১৯২.১৬৮.১০০.২৫৪ টাইপ করে এন্টার চাপতে হবে। দেখবেন, রাউটারের কনফিগারেশন প্রম্পট আবার ফিরে এসেছে। এখানে একটি বিষয় বলে রাখা ভালো, একই সিরিজের আইপি না হলে রাউটারের ঠিকানা হারিয়ে যাবে।
এবার কম্পিউটার থেকে কেব্ল্টি খুলে সুইচের একটি পোর্টে লাগালেই রাউটার কনফিগারেশনের কাজ শেষ।
এবার নেটওয়ার্কে থাকা প্রতিটি কম্পিউটারের আইপি কনফিগারেশনে প্রবেশ করে কোনো তথ্য পরিবর্তন না করে শুধু গেটওয়েতে রাউটারের আইপি (আমাদের উদাহরণ ১৯২.১৬৮.১০০.২৫৪ ) বসিয়ে দিন।
ব্যস, হয়ে গেল।
এভাবে নেটওয়ার্কে থাকা সব কয়টি কম্পিউটারেই তথ্যবিনিময়ের পাশাপাশি ইন্টারনেটও ব্যবহার করা যাবে।

বাংলায় নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল

শেষ পর্ব না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন। যখনি টিজে নতুন পর্ব লিখবেন এখানে সেই পর্বটি আপডেট করে দেয়া হবে।

নেটওয়ার্কিং (NETWORKING) ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল :পর্ব -১
আমরা সকলে নেটওয়ার্কিং কি তা জানি কিন্তু কতটুকু জানি সেটি হচ্ছে কথা ।তাই আমি আপনাদের নেটওয়ার্কিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে এই বার নিয়ে আসলাম নেটওয়ার্কিং টিউটোরিয়াল। 
 
                                             
) :) :) নেটওয়ার্ক :) :) :)

নেটওয়ার্কিং সম্পর্কে জানতে হলে আমাকে প্রথমে জানতে হবে নেটওয়ার্কিং কি ?                 নেটওয়ার্কিংহচ্ছে একটি নির্দিষ্ট সীমারেখার মধ্যে একস্থান হতে অন্য স্থানে                          খুব সহজেইতথ্যপৌছে দেয়ারজন্য তৈরি সুবিধা ।                                                                                                  

কাঠামো এবং সার্ভিসের উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্কের শ্রেণীবিভাগ 

নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রন এবং সার্ভিস প্রদানের উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্কে  প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে ।এগুলো হচ্ছেঃ
১)ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
২)পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
৩)মিশ্র বা হাইব্রিড নেটওয়ার্ক

 

*******ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক  (client server network)***********
  • ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক  (client server network): ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক  এর মধ্যমনি হচ্ছে এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভার ।ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসির জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে ।সার্ভিস সমূহের মধ্যে প্রধান গুলো হচ্ছেঃ ফাইল, প্রিন্ট মেসেজ , ডেটাবেজ, এপ্লিকেশন ইত্যাদি।
যে কেন্দ্রিয় কম্পিউটারের ইউজাররা প্রয়োজনীয় তথ্য বলি সংরক্ষন করে এবং রক্ষিত রিসোর্স ব্যবহার করে তাকে  সার্ভার বলা যেতে পারে এবং যে সকল কম্পিউটার এ সংরক্ষিত তথ্যবলি প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয় তাকে ক্লায়ন্ট বলা যেতে পারে । সার্ভার কম্পিউটার ক্লায়ন্ট  কম্পিউটারের তুলনায় শক্তিশালী হয়ে থাকে এবং একে পরিচালনা করার জন্য তখন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় ।এই সফটওয়্যারকে বলা হয় নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম বা নস ।নস এর উদাহরণ দিতে গেলে পাওয়া যায় উইন্ডোজ এনটি এবং উইন্ডোজ সার্ভার .
*********পিয়ার টু পিয়ার (peer to peer)********
  • পিয়ার টু পিয়ার (peer to peer): নেটওয়ার্কের আওতার প্রতিটি পিসির রিসোর্স শেয়ারিং এর জন্য এটি সমান ভুমিকা পালন করে । এখানে কোন ডেডিকেটেড সার্ভার থাকে না ,ফলে পিসি গুলোর মধ্যে গুরুতের দিক দিয়ে শ্রেণীবিন্যাস ও নেই ।প্রতিটি পৃথক পিসি ডেটার নিরাপত্তা বিধানে নিজেরা দায়ি থাকে । এক্ষেত্রে পিসি ব্যবহারকারি নির্ধারণ করে থাকেন যে তার কোন ফাইল  সমূহ অন্যান্যদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত
 
********* মিশ্র বা হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (hybrid network)********
  • মিশ্র বা হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (hybrid network): মিশ্র বা হাইব্রিড নেটওয়ার্ক ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের যৌথ রূপ ।সাধারণত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে প্রধানত ক্লায়েন্ট সার্ভার ব্যবহার করা হয়ে  থাকে। এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়ে  থাকে।

    >>> আকার আকৃতি এবং বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্কের শ্রেণী বিভাগ<<<

 
******** লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান(lan-local area network)*******
  • লোকালএরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান(lan-local area network): একটি নির্দিষ্ট সীমানার কম্পিউটার যদি একটি নেটওয়ার্ক ভুক্ত হয় তখন তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান বলে ।ল্যান এর আওতাধীন কম্পিউটার গুলো অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট দূরত্বের মাঝে থাকতে হবে ।
********** মেট্রো পলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক(man-metropoliton area network)**********
  • মেট্রো পলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক(man-metropoliton area network): যে নেটওয়ার্ক একটি পুরো শহর বা বড় কোন এলাকা ব্যাপি বিস্তার থাকে তাকে ম্যান বা মেট্রো পলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
                                                                                                    *********ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN-wide area network)**********
  • ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN-wide area network): অনেকগুলো ল্যানের সমন্বয়ে তৈরি বৃহত্তম নেটওয়ার্ক হচ্ছে ওয়ান বা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক ।এটি ল্যান সমূহ বিভিন্ন ভৌগলিক দূরত্বে অবস্থিত হয়ে থাকে ।এটির আওতাধীন কম্পিউটার গুলো বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে পারে ।তবে এটির সম্পূর্ণ বিষয়টি নির্ভর করে ফিজিক্যাল ট্রান্সমিশন লাইন,ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল ,স্যাটালাইট ট্রান্সমিশন এবং ম্যাইক্রোওয়েব ট্রান্সমিশন ইত্যাদির উপর ।সম্প্রতি সময়ে ইন্টারনেট সারা বিশ্বের সর্ববৃহৎ ওয়ান হিসেবে স্বীকৃত । ওয়ানের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে এটির স্বল্প পরিমাণ ব্যান্ড উইডথ তাদের ইউজারের চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত নয় ।এর জন্য ল্যানের তুলনায় ওয়ানে  গতি অনেক কম । এর ফলে অডিও এবং ভিডিও ফাইলের মত বড় ফাইল সমূহ ট্রান্সফার করেতে বেশ সময়ের প্রয়োজন হয়ে থাকে ।

:) :) :) নেটওয়ার্ক সার্ভার(NETWORK SERVER) :) :) :)

যেকোন নেটওয়ার্কের জন্য সবচেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ অংশ হচ্ছে তার সার্ভার ।সার্ভারকে নেটওয়ার্কের প্রান বলে অভিহিত করা হয় । সার্ভার যদি সঠিক ভাবে সার্ভিস প্রদান না করে থাকে তাহলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক ভেঙ্গে পরতে বাধ্য হয় ।নেটওয়ার্ক ভুক্ত সকল পিসিকে সর্বদা সার্ভার সার্ভিস দিয়ে থাকে ।
 *********  ফাইল সার্ভার(file server)*********  
  • ফাইল সার্ভার(file server) :ফাইল সার্ভারের কাজ হচ্ছে ব্যবহারকারীকে ফাইল শেয়ারের সুযোগ করে দেয়া । এছাড়াও এটি ফাইল সরক্ষন, উত্তোলন এবং এক পিসি থাকে অন্য পিসিতে ফাইল স্থানন্তরের সুবিধা প্রদান করে ।ফাইল সার্ভার দ্বারা ক্লায়েন্ট পিসির জন্য কোন প্রকার ডেটা প্রসেসিং এর কাজ করা যায় না  ।
  ******প্রিন্টার সার্ভার (print server)*******  
  • প্রিন্টা সার্ভার (print server): প্রিন্ট সার্ভার কাজ হচ্ছে এক বা একাধিক প্রিন্টারের গ্রুপকে নিয়ন্ত্রন করা ।তারা বিশেষ করে ক্লায়েন্ট পিসি থেকে আগত প্রিন্টিং অর্ডার জমা করে রাখে ।এবিষয়টিকে বলা হয় কিউইয়িং । প্রিন্ট সার্ভার স্পুলারের সাহায্যে প্রিন্ট অর্ডার কে ধরে রাখে যতক্ষণ পর্যন্ত প্রিন্টার প্রিন্ট করার জন্য তৈরি না হয় ।প্রিন্ট একবার প্রস্তুত হলেই সার্ভার তাতে  প্রিন্টিং কাজ শুরু করে দেয়।

******এপ্লিকেশন সার্ভার ( application server)****
  • এপ্লিকেশন সার্ভার ( application server):এটি নেটওয়ার্কিং এর অন্তত্য দামি এবং ক্ষমতা শীল সফটওয়্যার পিসি ক্লায়েন্টকে ব্যবহারের সুযোগ করে দেয় । এটি তার শক্তিশালী মেশিনের  সাহায্যে ক্লায়েন্ট পিসির চাহিদা অনুযায়ী ডেটা প্রেসেস করে এবং তার ফালাফল ক্লায়েন পিসি কে ফেরত দেয় ।এছাড়া  এপ্লিকেশন সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে যে কোন কোম্পানি তার সফটওয়্যার লাইসেসিং খরচ কমাতে পারে ।
*****মেসেজ সার্ভার (message server)*****
  • মেসেজ সার্ভার (message server): ফাইল সার্ভিসের মাধ্যমে শুধুমাত্র ফাইল ডেটা আকারে এক কম্পিউটার থেকে  অন্য কম্পিউটারে   চলাচল করে । কিন্তু মেসেজ সার্ভারের মাধ্যমে ডেটা গ্রাফিক্স ,অডিও, ভিডিও এবং টেক্সট বাইনারি আকারে চলাচল করে থাকে । বর্তমানে মেসেজ সার্ভিস ডেটা ট্রান্সফারের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম।মেসেজ সার্ভিসকে ইউজার, ডকুমেন্ট এবং এপ্লিকেশন সমূহের মধ্যে জটিল প্রকৃতির ইন্টার এ ্যাকসনের সমন্বয় সাধন করতে হয় । মেসেজ সার্ভিসকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয় ।যথা  ঃ
:) ইলেক্ট্রনিক মেল  (E-mail)
:)ওয়ার্ক গ্রুপ এপ্লিকেশন ( Workgroup application)
:) অবজেক্ট ওরিয়েন্টড এপ্লিকেশন ( object oriented application)
:) ডিরেক্টরি সার্ভিসেস(directory services)
  • ডেটাবেজ সার্ভার( datebase server): ডেটাবেজ সার্ভার নেটওয়ার্কে অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রকৃতির পিসি বা ওয়ার্ক ষ্টেশনকে শক্তিশালী ডেটা বেজ ব্যবহারের সুযোগ করে দেয় । অধিকাংশ ডেটাবেজ সিস্টেমই ক্লায়েন্ট সার্ভার ভিত্তিক । এটির দুটি অংশ থাকে একটি ক্লায়েন্ট পিসিতে অন্যটি সার্ভারে । এটি মূলত দুর্বল ফাংশন গুলো ব্যবহার করে ক্লায়েন্ট পিসিতে এবং শক্তিশালী ফাংশন এর কাজ করে সার্ভারে । এর বাইরে কিছু গুরুত্ব পূর্ণ কিছু সার্ভিসের জন্য এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ।সেগুলোর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হচ্ছে ডেটা সিকিউরিটি প্রদান , ডেটা অপটিমাইজেশন , ডেটা ডিট্রিবিউসন ইত্যদি ।
আরেকটি কথা আপনাদের জেনে রাখা উচিত যে একটি  ক্ষমতাধর সার্ভার দ্বারাই আপনি ফাইল ,প্রিন্ট ,এপ্লিকেসন ,মেসেজ এবং ডেটা বেজ সার্ভার  হিসেবে একসাথে কাজ করতে পারে । তবে নেটওয়ার্কের সর্বউত্তম দক্ষতা কাজে লাগাতে হলে প্রত্যেকটির জন্য আলাদা সার্ভার ব্যবহার করা উচিত ।

নেটওয়ার্ক ব্যবহারে অনুমোদন এবং নিরাপত্তা( Access Permission and Security) 

 

 সার্ভার ভিত্তিক নেটওয়ার্ক এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের মধ্যে  পার্থক্য বিদ্যমান । এই পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে এদের স্ব স্ব নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বাস্তবায়নের কৌশলের কারনে।
শেয়ার পর্যায়ের নিরাপত্তা
আপনারা নিশ্চয় এতদিনে বুজতে পেরেছেন যে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা সার্ভার ভিত্তিক নেটওয়ার্কে নিরাপত্তার তুলনায় অনেক দুর্বল ।এটির দুর্বলতার প্রধান কারন হচ্ছে এটি সাধারনত নেটওয়ার্ক রিসোর্সসমূহের শেয়ার পর্যায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে । এই ব্যবস্থাটির নাম হচ্ছে  password protected security .

শেয়ার পর্যায়ের নিরাপত্তা প্রতিটি রিসোর্স ব্যবহার করার জন্য তার অনুমোদিত ব্যবহার কারীর জন্য একটি স্বতন্ত্র পাসওয়ার্ড বরাদ্ধ করে থাকে  । উদাহরণ স্বরূপ উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে কোন একটি ফাইল ডিরেক্টরি ব্যবহারের জন্য নেটওয়ার্ক ভুক্ত অন্যান্য ব্যবহার কারীরকে পাসওয়ার্ড নির্দিষ্ট করে দেয়া হয় । ব্যবহারকারিরা ওই ডিরেক্টরির মধ্যে যে সকল ফাইল আছে সেগুলো কপি এবং খুলতে চাইলে ব্যবহার কারিকে অবশ্যই তার জন্য বরাদ্ধ কৃত পাসওয়ার্ড নির্ভুল ভাবে  ব্যবহার করতে হবে

শেয়ার পর্যায়ের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার হয় ফ্যাট (FAT-File Allocation Table )এবং এনটিএফএস (NTFS- NT File Seytem) সিস্টেম । ডিরেক্টরি বা ফোল্ডার পর্যায়েও এ ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর ।

প্রবেশ অনুমোদন
সার্ভার ভিত্তিক নেটওয়ার্ক সাধারণত প্রবেশ অনুমোদন নিরাপত্তা পদ্ধতি ব্যবহার করে ।

ওই ব্যবস্থাটি ফাইল পর্যায় (File Level) বা ব্যবহারকারী পর্যায়ে নিরাপত্তা নামেও পরিচিত । এ সকল নেটওয়ার্কে সর্বময় অধিকার দেয়া থাকে নেটওয়ার্ক এডমিনিস্ট্রেটরকে । তিনি নির্ধারণ করবেন একজন ব্যবহার কারী নেটওয়ার্কের কোন কোন রিসোর্স ব্যবহার করতে পারবেন শেয়ার কৃত রিসোর্স সমূহ ব্যবহার করার জন্য ব্যবহার কারিকে আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয় না ।বরং ব্যবহার কারী যখন নেটওয়ার্ক প্রবেশ করবে তখন সে তার জন্য বরাদ্ধ কৃত নাম এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে হবে । নাম ও পাসওয়ার্ড এর মাধ্যমে নির্ধারণ হয় ব্যবহারকারী অনুমোদিত কিনা ;

প্রবেশ অনুমোদন পদ্ধতিতে রিসোর্স শেয়ার অনুমোদন মুল্যয়ন করা হয় ব্যবহারকারীর একাউন্টে প্রদত্ত তথ্যের উপ্র ভিত্তি করে । উদাহরন স্বরূপ উইন্ডোজ এন টি নেটওয়ার্কের আওতায় কোন ব্যবহারকারীকে নেটওয়ার্ক প্রিন্টার ব্যবহার করতে হলে প্রথমে তাকে লগ অন (log on) এর মাধ্যমে একটি ডোমেইনে প্রবেশ করতে হবে ।এরপর নেটওয়ার্কভুক্ত প্রিন্টার ব্যবহার করতে পারবে কিনা এটি নির্ভর করবে তার একাউন্টে ঐ প্রিন্টার ব্যবহারের অনুমতি আছে কিনা তার উপর । এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধু এন টি  এফএস ডিস্ক পার্টিশনে কাজ করে এবং এটি প্রতিটি পৃথক পৃথক ফাইলের আলাদা করে নিরাপত্তা বিধান করে ।


প্রিন্টার নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা ও তার সমাধান

                      আনেকেরই প্রিন্টার নিয়ে নানা সময় বিভিন্ন সমস্যায় পরতে হয়।
                      তাই আজকে প্রিন্টার এর সমস্যা এবং সমাধান নিয়ে । আশা করি অনেকের কাজে লাগতে পারে।

সঠিক নিয়মে প্রিন্ট নিন
            কম্পিউটারের সঙ্গে প্রিন্টারের সংযোগ ঘটিয়ে যেকোনো সফটওয়্যারের প্রিন্ট কমান্ড দিলেই প্রিন্ট পাওয়া যায়।
            কিন্তু ভালো প্রিন্ট নেওয়ার জন্য কিছু বিষয় সম্পর্কে একটু জানা থাকা দরকার।
প্রিন্টার সংযোগ এবং ড্রাইভার:
                          প্রিন্টার কিনে আনার পর প্রথম কাজটি হচ্ছে সঠিকভাবে কার্ট্রিজ বা টোনার প্রিন্টারে লাগানো।
এবারে বৈদ্যুতি তারটি প্রিন্টারে লাগিয়ে সেটিকে কম্পিউটারে সংযুক্ত করা।
এরপর কম্পিউটার চালু করে Start>Settings থেকে প্রিন্টারে ক্লিক করুন।
                    Add Printer-এ ক্লিক করুন। এবারে Next বাটনে ক্লিক করে প্রিন্টারের নাম ও মডেল নম্বর দিয়ে দিন।
 (প্রিন্টারের সঙ্গে দেওয়া সিডি বা ফ্লপি হতে:- এতে প্রিন্টারের চালক সফটওয়্যার থাকে)।
 Have a disk অপশন সিলেক্ট করে পোর্ট সেটিংস ঠিক করে Next বাটনে ক্লিক করুন।
প্রিন্ট পরীক্ষা করার জন্য Yes ও Finish ক্লিক করুন। প্রিন্টার একটি পরীক্ষামূলক প্রিন্ট দেবে।
প্রিন্ট করা:
              কোনো কিছু প্রিন্ট করার আগে প্রিন্টার ট্রেতে প্রয়োজনীয় কাগজ আছে কি না দেখে নিন।
            এবার ফাইল মেনুতে ক্লিক করে Printer-এ ক্লিক করুন। এবার একটি উইন্ডো আসবে।
     উইন্ডোতে অপশনগুলো ঠিক করে দিন। ( প্রায় সব সফটওয়্যারেই একই নিয়ম)।
                   ফাইলে যদি একাধিক পৃষ্ঠা থাকে এবং সব পৃষ্ঠাই প্রিন্ট করতে চান তবে All সিলেক্ট করুন।
                           যে পৃষ্ঠায় মাউসের কারসর আছে যদি সেটির প্রিন্ট নিতে চান তবে Current Page সিলেক্ট করুন।
 যদি কয়েকটি পৃষ্ঠা প্রিন্ট করতে চান তবে Pages সিলেক্ট করে পৃষ্ঠার নম্বর দিয়ে
 ( যেমন- ১-৪, বা ১, ৫-৯) OK করুন।
প্রোপার্টিজ:
কাগজের আকার, কালির ধরন এবং প্রকার ঠিক করার জন্য প্রিন্ট উইজার্ডের প্রোপার্টিজে ক্লিক করুন।
এখান থেকেই কাগজের ধরন, উলম্ব প্রিন্টের জন্য পোট্রেট আর অভিলম্ব প্রিন্টের জন্য ল্যান্ডস্কেপ সিলেক্ট করা যায়।
 সাদা-কালো প্রিন্ট করার জন্য গ্রেস্কেল আর রঙিন প্রিন্টের জন্য অটোমেটিক সিলেক্ট করা যায়।
 সবচেয়ে মজার কথা, খসড়া প্রিন্ট করার সময় কালি বাঁচাতে ইকোনমিক সক্রিয় করে দিতে পারেন।
অনেকগুলো প্রিন্ট: একবার কমান্ড দিয়েই একই ফাইলের একাধিক কপি প্রিন্ট করা যায়।
একাধিক প্রিন্ট নেওয়ার জন্য প্রিন্ট উইজার্ডের Number of copies
-এর পাশের বক্সে সংখ্যা উল্লেখ করে দিতে হবে। যদি পাতার নম্বর অনুসারে
সাজিয়ে প্রিন্ট দিতে চান, তবে Collate সিলেক্ট করে OK করতে হবে।
প্রিন্ট নমুণা:
ছাপার পর তা কেমন দেখাবে, সেটি মনিটরে দেখে নেওয়া যায়। এ জন্য ডকুমেন্ট খুলে ফাইল মেনু থেকে Print Preview সিলেক্ট করতে হবে। নতুন উইন্ডোতে প্রিন্টের প্রিভিউ দেখা যাবে। প্রিন্ট প্রিভিউ উইন্ডোর একেবারে বাঁদিকের চিহ্নে ক্লিক করে সরাসরি প্রিন্ট নেওয়া যায়।
কাগজের ধরন:
কোনো কিছু প্রিন্ট করার আগে প্রিন্টার ট্রেতে প্রয়োজনীয় কাগজ আছে কি না দেখে নিন। সব সময় সাধারণ কাগজে প্রিন্ট করা হয় না। ফটো, আর্ট বা গ-­সি পেপারের মতো মোটা কাগজে প্রিন্ট নিতে চাইলে প্রিন্ট উইজার্ডে কাগজের ধরন পরিবর্তন করতে হয়। প্রিন্ট উইজার্ডের প্রোপার্টিজ বাটনে ক্লিক করে Media Type থেকে কাগজের ধরন পছন্দ করা যায়।
প্রিন্ট নিয়ন্ত্রণ:
প্রিন্ট কমান্ড দেওয়া হলে এবং প্রিন্টার সংযুক্ত থাকলে প্রিন্ট করা শুরু হয়। যদি কোনো কারণে প্রিন্ট বন্ধ করার প্রয়োজন হয়, তবে Start-এর Settings থেকে Print Que সিলেক্ট করে ক্লিক করুন। যে ফাইলের প্রিন্ট কমান্ড বাতিল করতে চান, সেটি সিলেক্ট করে মেনু থেকে Pause বা Cancel Printing-এ ক্লিক করুন।
লেখাকে একটিমাত্র পেজে সীমাবদ্ধ রাখা
অনেক সময় কোন একটি ডকুমেন্টের শেষ পেজটিতে দু একটি লাইন থেকে যায়, এ কারণে ডকুমেন্টটি দেখতে বাজে লাগে। বিশেষ করে প্রিন্ট করতে হলে তো আরো সমস্যা, কারণ দু-এক লাইনের জন্য অনেকগুলো পৃষ্ঠা নষ্ট হয়। অনেক সময় লেখাকে একটি পেজে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য আমরা পেজ মার্জিন কমাই, কোথাও কোথাও ফন্ট সাইজ ছোট করে দেই। অথচ একটি কমান্ড দিয়েই এ কাজটি করা সম্ভব। ওয়ার্ড ২০০৩-এ এটি করার জন্য-
File মেনু থেকে Print Preview তে গিয়ে সেখানে Shrink to Fit (Tools মেনুর নীচে) বাটনে ক্লিক করলেই লেখাগুলো এক পৃষ্ঠায় চলে আসবে (ওয়ার্ড ২০০৭-এ এটির নাম হচ্ছে Shrink One Page)।
দেখতে ভালো না লাগলে আবার আনডু করে আগের আবস্থায় যেতে পারেন।
কম খরচে প্রিন্টিং
সাধারণভাবে কম্পিউটারে প্রিন্ট আউট নেওয়ার ক্ষেত্রে কার্টিজ, কাগজ ইত্যাদি মিলিয়ে যে খরচ পড়ে তা কিছুটা কমানো সম্ভব। এ জন্য কিছু টিপস এখানে দেওয়া হলো
১. ফাইনাল প্রিন্ট বের না করে ডিফল্ট প্রিন্ট মোড ব্যবহার করুন।
২. শুধু কারেকশন করার জন্য ছোট ফন্টে প্রিন্ট আউট নিন।
৩. প্রিন্টার প্রতিবার অন করলে প্রিন্ট হেড পরিস্কার করার জন্য বাড়তি কিছু
কালি খরচ হয়। তাই প্রিন্টার বার বার অন-অব না করে কাজ চলাকালীন
অন রাখাই ভালো।
৪. যে সব প্রিন্টরের প্রতিটি রঙের কালির জন্য আলাদা আলাদা কার্টিজ বা ট্যাংক
থাকে, সে ধরনের প্রিন্টার ব্যবহার করা লাভজনক। কারন, কোন একটি
রঙের কালি অধিক ব্যবহারের ফলে যদি তা শেষ হয়ে যায়, তাহলে কেবল
মাত্র সেই রঙের কালি কিনলেই হবে। এক্ষেত্রে সবগুলো রঙের কার্ট্রিজ
কেনার কোন প্রয়োজন হবে না।
৫. একটি কাগজের উভয় পাশে প্রিন্ট করলে কম কাগজ লাগে। কিন্তু, সব
প্রিন্টারে এ ধরনের সুবিধা পাওয়া যায় না। অনেক প্রিন্টারে প্রিন্টার ড্রাইভ
থাকে যার সাহায্যে একটি শীটের উপর একাধিক পেজ প্রিন্ট করা যাবে।
Multi-up প্রিন্টিং-এর মাধ্যমে কাগজ কমানো যায়। কালি কম খরচ হয়
এবং খুব দ্রুত প্রিন্ট করা যায়।
৬. এছাড়াও Final Print 2000-এর মতো কিছু সফটওয়্যার আছে যার সাহায্যে
একটি কাগজে দুই, চার অথবা আটটি পেজের বিষয়বস্ত্তু (কনটেন্ট)একত্রে
প্রিন্ট করা যায়। আপনার প্রিন্টার যদি ডুয়েল সাইড প্রিন্টিং সাপোর্ট নাও করে
তবু এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে একটি কাগজের উভয় পার্শ্বে প্রিন্ট করতে
পারবেন। http://www.fineprint.com/ ওয়েব সাইটে এই সফটওয়্যারটি
পাবেন।
দ্রুত প্রিন্ট করতে
ক. আপনি যদি সাধারণ সময়ের চেয়ে দ্রুত প্রিন্ট করতে চান তবে প্রিন্ট ডায়ালগ বক্সের Options সক্রিয় করুন। মনে রাখবেন এ ক্ষেত্রে পুরো প্রিন্ট না হওয়া পর্যমত্ম আপনার সফটওয়্যার ব্যসত্ম থাকবে এবং সে সময়ে সেটিতে কোনো কাজও করতে পারবেন না।
খ. আরেকটা টিপস হলো- এ ক্ষেত্রে পোর্ট সেটিংস(Properties>Details) এর ভেতরে অপশনটি বন্ধ করে দিতে পারেন। এতে আরো দ্রুত প্রিন্ট হবে।
গ. এ ছাড়া প্রিন্ট কোয়ালিটি (মান) কমিয়েও দ্রুত প্রিন্ট আউটপুট পেতে পারেন। সাধারণত প্রিন্টারে হাই কোয়ালিটি, নরমাল এবং ড্রাফট-এ তিন রকম প্রিন্ট কোয়ালিটি থাকে। যদি এমন কোনো ডকুমেন্ট হয় যার প্রেজেন্টেশন ভ্যালু নেই, অথচ আপনার দ্রুত প্রিন্ট চাই, সে ক্ষেত্রে ডকুমেন্টকে লো-কোয়ালিটিতে প্রিন্ট দিলে খুব দ্রুত ফলাফল পাবেন।
অনেক কম্পিউটারে একটি প্রিন্টার ব্যবহার করুন
আপনার বাসায় বা অফিসে যদি একাধিক কম্পিউটার থাকে এবং সেগুলোর মধ্যে নেটওয়াকিং করা থাকে তবে একটি প্রিন্টার ব্যবহার করে সব কম্পিউটার থেকে প্রিন্ট করা সম্ভব।
প্রথমে সব কম্পিউটারে প্রিন্টার ইনস্টল করে নিন।
এবার Start মেন্যু থেকে Settings-এ গিয়ে প্রিন্টারে ক্লিক করুন।
Add Printers আইকনে ডাবল ক্লিক করুন এবং Next বাটনে ক্লিক করুন।
Network printer সিলেক্ট করে Next বাটনে ক্লিক করে প্রিন্টারের নাম সিলেক্ট করুন এবং আবার Next বাটনে ক্লিক করুন।
Network UNC-এর জন্য সার্ভার ও প্রিন্টারের নাম লিখুন এবং
Next বাটনে ক্লিক করুন।
6. যদি Connection test করতে চান, তবে Yes বাটনে ক্লিক করুন। সবশেষে Finish বাটনে ক্লিক করুন।
প্রিন্টারের ERROR মেসেজ এড়ানো
কখনো কখনো বড় বড় ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার সময় সেটি সব কিছু অ্যাডজাষ্ট করে নেওয়ার আগেই প্রিন্টার রেডি হয়ে যায় এবং Time out Error মেসেজ চলে আসে, যা অত্যন্ত বিরক্তিকর।এই সমস্যা এড়ানোর জন্য প্রিন্টারের Wating Time আরো বৃদ্ধি করে দিতে পারেন। এজন্য-
(K) Control Panelএর Printers অপশনে যান।
(L) আপনার ব্যবহৃত প্রিন্টার আইকনে রাইট ক্লিক করে Properties সিলেক্ট করুন।
(M) Details ট্যাবে গিয়ে Not Selected ফিল্ডের মান প্রয়োজনমতো বাড়িয়ে দিন।
এর ফলে আপনার অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামসমূহ প্রিন্ট আউট ডকুমেন্ট রেডি করতে আরও অধিক সময় পাবে। এছাড়াও প্রিন্টারের পারফরমেন্স অনেকটাই তার অবস্থার উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ যদি কোনো প্রিন্টার অনেকদিন ধরে ব্যবহার করা সত্ত্বেও সেটা খুলে পরিস্কার করা না হয় অথবা নিয়মিত সেটির পরিচর্যা না করা হয় তাহলে অনেক ভালো প্রিন্টারও বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।এজন্য আপনার ব্যবহৃত প্রিন্টারটির নিয়মিত Maintainance-এর প্রতি নজর রাখুন।
প্রিন্টারের যন্ত্রপাতি
ঠিকমতো যত্ন ও ব্যবহার করা হলে একটি সাধারন প্রিন্টারও অনেক দিন স্বাভাবিক কাজ চালিয়ে যেতে পারে। প্রিন্টারের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কিছু নিয়ম-কানুন দেওয়া হলো-
প্রিন্টার হেড পরিস্কার রাখুন। তা না হলে নজলে কালি জমে আটকে থাকবে, যা পরে পরিস্কার ছাপার কাজে বাধার সৃষ্টি করবে। প্রিন্টার হেড পরিস্কার করার জন্য কার্ট্রিজ সরিয়ে নিন। এরপর নরম সুতির কাপড় সামান্য পানিতে ভিজিয়ে তা দিয়ে হেড পরিস্কার করুন। শুকিয়ে গেলে কার্টিজ পুনরায় স্থাপন করুন।
নিয়মিত প্রিন্টার ব্যবহার করে কালি শুকিয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করুন। সপ্তাহে অন্তত একবার প্রিন্ট করলে কালি সহজে শুকিয়ে যায় না আর প্রিন্টারও ভালো থাকে।
প্রিন্টারের কাগজ রাখার স্থানটি যথাযথভাবে ব্যবহার করুন। প্রিন্টের মাঝপথে কাগজ আটকে গেলে তা টানাটানি করে বের করার চেষ্টা করবেন না। এতে পুরো পিন্টারটি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রয়োজনে এ জাতীয় পরিস্থিতিতে পিন্টারের কারিগরি নির্দেশিকার সাহায্য নিতে পারেন। আর কাগজের ক্ষেত্রে সঠিক আকার, ওজন ও পর্যাপ্ত মার্জিন রেখে তা ব্যবহার করাটাই ভালো।
ব্যবহার না হলে সবসময় প্রিন্টারের পাওয়ার অন করে রাখার কোন দরকার নেই। কেবল কাজের সময় পিন্টারের পাওয়ার অন করে দীর্ঘদিন উঁচুমানের প্রিন্টিং করা সম্ভব। তবে কজের মাঝপথে কখনোই প্রিন্টার অব করা উচিত নয়। আর পাওয়ার অব করার পরই কেবল প্লাগ খুলে নেওয়া যাবে।
আজকাল সফটওয়্যারের সাহায্যেও প্রিন্টারের কালি পরিস্কার করা যায়। এর সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। তবে এ কাজটি প্রয়োজনের অতিরিক্ত বারবার করলে তা কাজের বদলে অকাজই বরং হবে।
কালি শেষ হওয়ার বা কমে আসার সতর্কবার্তা পাওয়া মাত্রই তা বদলে ফেলুন। শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করলে প্রিন্টার হেড ও নজলের উপর চাপ পরে। তাই সময় থাকতেই নতুন কালি প্রতিস্থাপন করুন।

বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

মেমরি কার্ড ও পেনড্রাইভ এর মাঝে পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত রাখুন।

পেনড্রাইভ ও মেমরি কার্ডে আমরা অনেক সময় এমন সব ফাইল রাখি যা অন্য কেউ দেখলে ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তবে চাইলে সুরক্ষিত করে রাখা যায় বহনযোগ্য ডিভাইস এর তথ্য। অপরের কাছ থেকে ডিভাইসটির সুরক্ষা দিতে ডিভাইসটিতে পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখা যায়। “ইউএসবি সিকিউর” নামের মাত্র ১.৩ মেগাবাইটের একটি সফটওয়্যার এর সাহায্যে যেকোনো মেমরি কার্ড ও পেনড্রাইভকে পাসওয়ার্ড প্রটেকটেড করে রাখা যাবে।

এজন্য,
১। প্রথমে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে। 


২। ডাউনলোড করা সফটওয়্যারটি আপনার পিসিতে ইন্সটল করুন। সাথে সিরিয়াল ও রেজিস্ট্রেশন কি দেয়া আছে, ফুল ভার্সন করে নিন। ইন্সটল করার সময় ইউএসবি ড্রাইভটি অবশ্যই কম্পিউটারে কানেক্ট রাখুন এবং Destination Drive হিসেবে কোনটি প্রটেক্ট করতে চান তা দেখিয়ে দিন।



৩। ইন্সটল হয়ে গেলে উক্ত ডিভাইসে গিয়ে দেখুন USB Secure.exe নামে একটি ফাইল চলে এসেছে।



৪। ওখানে ডাবল ক্লিক করলে নিচের চিত্রের মত কিছু অপশন পাবেন।



৫। Set password ও Confirm password এর ঘরে কাঙ্খিত পাসওয়ার্ডটি লিখে Protect এ ক্লিক করুন।

এবার লক্ষ্য করে দেখুন, ডিভাইসটির সব ডাটা হাইড হয়ে গেছে।
এখন থেকে যেইই হাইড করা ডাটাগুলো দেখতে চাইবে তাকে পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রথমে ডিভাইসটি আন-প্রটেক্ট করে নিতে হবে।

আশা করি কোন সমস্যা হবে না, তবে সমস্যা হলে জানাবেন সমাধান করার চেষ্টা করবো।